শীতে সুস্থ থাকতে পুষ্টিকর খাবার রাখা চাই খাদ্যতালিকায়
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: শীতে তরতাজা থাকতে হলে খেতে হবে বেশ কয়েকটি খাদ্যশস্য। শারদ উৎসব শেষ হতেই
শীত পড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই সময় শারীরিক ও হজম প্রক্রিয়াতে সমস্যা হতে পারে। খাওয়াদাওয়া ও পুষ্টির দিকগুলি নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। শীতের শুরুতে নানা ধরনের সংক্রমণ দেখা যায়। করোনা আবহ রয়েছে। তাই সাবধান থাকতে হবে।রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হবে। বেশ কিছু খাদ্যশস্যকে রাখতে হবে ডায়েটে। রুটি, পরোটা, খিচুড়ির মতো নানা পদের খাবার বানিয়ে নিতে পারেন। ফুড বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইসব খাদ্যশস্যগুলি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সুগার বা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। এমনকী ভালো রাখে হৃদযন্ত্রও। প্রচুর ফাইবার ও পটাসিয়াম থাকে বাজরায়। খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন বাজরা। ফাইবার ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ও আয়রন থাকে। বাজরা দিয়ে রুটি, চাপাটি, ডালিয়া বা খিচুড়ি বানিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
আবার জোয়ার হজম প্রক্রিয়া ভালো রাখে। সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়। হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে জোয়ার। জোয়ারের রুটি, উপমা, দোসা সহ প্যান কেকের মতো খাবার বানিয়ে নিতে পারেন।কংগনি জাতীয় খাদ্যশস্য আপনার ডায়েটে রাখতে পারেন। এতে বি-১২ ভিটামিন থাকে। হৃদপিণ্ড এবং স্নায়ুতন্ত্রের প্রক্রিয়া সচল ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। চুলের বৃদ্ধির জন্য খুবই উপকারী এটি। পোলাও, খিচুড়ি ও রুটি তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।
অনেক পঞ্জাবিদের কাছে প্রিয় খাবার হল হল- মক্কির তৈরি রুটি ও সর্ষে শাকের তরকারি। এতে ভিটামিন এ,সি,কে,বেটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম থাকে। প্রচুর আয়রনও থাকে। অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য খুব উপকারী এটি। বাদামি রঙের দেখতে হয় । প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও দারুণ উপকারী। খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। ডায়াবেটিস আক্রান্তরা রেগির তৈরি রুটি বা খাবার খেলে উপকার পাবেন। তবে সবুজ শাক-সবজি পর্যাপ্ত খেতে হবে এই শীতকালে।

